আজ ২০শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং; ৫ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ; হেমন্তকাল

বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনের গল্প

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
মাহমুদুল হাসান রাহাতঃঃ  আমি যে বীরের কথা বলতেছি তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ হারুন অর রশীদ।তিনি ছিলেন কিশোরগঞ্জ,নরসিংদী,গাজীপুর এর প্রথম যুদ্ধের সেই এরিয়া কমান্ডার এবং বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ইপিআর ক্যাম্পএ ১২১ জন পাক সেনাকে মেরে ৬ জন বাঙালি মুক্তিসেনার জীবনের বিনিময়ে ছিনিয়ে এনেছিলেন বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বিজয়।এই যুদ্ধের বিজয়টা ছিনিয়ে এনেছিলেন বিজয়িতা শেখ হারুন । তাঁর কাছ থেকে যুদ্ধরত অবস্থার কথা শুনলে এখনো চোখে জল চলে আসে। সেই শেখ হারুনকে অনেকে পাগলা হারুন নামে চিনতো।মানুষ পাগল বলে কাকে?যে প্রেমিক তাঁর প্রেমিকা কে ছাড়া বাঁচে নাহ,তাঁর জন্য সে সব কিছু করতে পারে।বাবা -মা ,ভাই,বোন,আত্মীয়-স্বজন সব কিছু ছাড়তে পারে, তাঁকে প্রেমিক বললে অনেক বড় অপরাধ হয়ে যাবে, সেই অপরাধ হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ,তিনিই হলেন প্রকৃত প্রেমিক। আর সেই পাগলা হারুন দেশ এর জন্য পাগল ছিল, দেশ এর সাথে প্রেম করেছে।আর এই প্রেম ছিল অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক গভীর প্রেম। যত ঝড়,বাধা,তুফান, এর চেয়ে অনেক বড় ত্যাগ হচ্ছে জীবন পর্যন্ত ত্যাগ করতে ভয় করে নাই সেই পাগলা হারুন, যেই প্রেমিকার হাতে জীবন তুলে দিয়েছিল,সেই প্রেমিকা অথবা সেই মাতৃভূমি কি দিয়েছে তাঁকে?সেই মাতৃভূমির মানুষ কি দিতে পেরেছে তাঁর সেইপাগলামি ভালোবাসার প্রতিদান?তাঁকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি দিতে পেরেছেন কোনো ভালো উপাধি?পারে নাই আর কোনো দিন পারবেও না ! এমন পাগল দেশপ্রেমিকের জন্য আমরা কোনো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারলাম না,এর চেয়েও দুঃখ জনক ও লজ্জা জনক কিছুই হতে পারে না,আমি জানি আজকের এই লিখা কারো চোখেই পড়বে না, কারণ আমরা জানি না একজন ভালো মানুষকে মূল্যায়ন করতে,আমরা জানি না কারো অধিকার বুজিয়ে দিতে,আমরা কি বুঝবো এ থেকে আমাদের দেশ কি উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে না কি অনুন্নতর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?সেই পাগলা হারুন এর দেশ এর জন্য পাগলামি অনেক বইয়েও আছে কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে কেউ বুজতে পেরেও বুজতে চাই না।তিনি মাতৃভূমির জন্য কতটা পাগল প্রেমিক ছিল হারুন।
 
” আমার সোনার বাংলা
আমি তুমায় ভালোবাসি “
 
এই ভালোবাসা কি সেই পাগলা হারুনের মতো জীবন মরণের ভালোবাসা? নাকি মানুষ এর মুখেমুখে বলা (i love my country) ভালোবাসার মতো।আমাদের কারণে দেশ এ আজ হারুনের মতো পাগল প্রেমিক বেঁচে থেকেও নেই।আর আমাদের মাতৃভূমিতে এমন পাগল প্রেমিক এর সংখ্যা নেই বললেই চলে।কারণ দেশের সাথে প্রেম করে পাগল হলেও তাঁকে পাগল বলতে আমরা আনন্দবুধ করি।তাই আমাদের দেশের মানুষ এখন মাদক এবং বিভিন্ন ধরণের নেশার সাথে প্রেম করে।এই নেশার সাথে প্রেমের ফলে সে রঙিন দুনিয়া দেখে।সেই রঙিন দুনিয়া অথবা নেশার রাজ্যে সেইই রাজা।তাই পরিশেষে বলতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরুধ আপনি পাগলা হারুনের মতো দেশপ্রেমিককে তাঁর প্রাপ্ত উপাধি দিয়ে ভূষিত করবেন।তা হলে অনেক মানুষ নেশার প্রেম ছেড়ে দিয়ে পাগলা হারুনের মতো পাগল দেশপ্রেমিক হওয়ার চিন্তা- ভাবনা মনে মনে পোষণ করবে।আমি অনেক ছোট মানুষ,,আজ জীবনের প্রথম অনেক বড় বড় কথা লিখে ফেললাম,,তাই যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তা হলে আমাকে ক্ষমা করবেন।
প্রিন্ট করুন
মন্তব্য করুন