আজ ২০শে জুলাই, ২০১৮ ইং; ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ; বর্ষাকাল

জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরে মহান একুশে ‍উদযাপিত

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলতে পারি?’

বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলবাড়ীয়ার জঙ্গলবাড়ী গ্রামে পালিত হয়েছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

শিখরী ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরের বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রভাতফেরি শেষে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতার মাধ্যমে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস।

এদিন ভোরেই জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরের উদ্যোগে জঙ্গলবাড়ী গ্রামের ইতিহাসে এই প্রথম একুশের বর্ণাঢ্য প্রভাতফেরি বের করা হয়, যা জঙ্গলবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরের সামনে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারের সামনে শেষ হয়। এসময় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ -সহ গ্রামের অর্ধ-শতাধিক শিশু-কিশোর ও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ শহীদ মিনারের বেদীতে ফুল দিয়ে বায়ান্নর ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে এ উপলক্ষে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতির দাবিতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরের সাধারণ সম্পাদক এফ ডি রায়হানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিখরী ফাউন্ডেশনের আহবায়ক ও ময়মনসিংহ ডিভিশন টুয়েন্টিফোর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম তুহিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মেহেদী জামান লিজন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান আসাদ ফরাজী, শিখরী ফাউন্ডেশনের যুগ্ম আহবায়ক হিমেদুজ্জামান হিমেল, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হামিদুর রহমান সুমন, জঙ্গলবাড়ী বাতিঘরের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবু সাঈদ ফকির প্রমুখ।

মাহমুদুল হোসাইন ফিরদাউসের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ইকরামুল হাসিব ইকরা, ইসহাক মিয়া, সাদ্দাম হোসাইন, সারোয়ার হোসেন সানি, মেহেদী হাসান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতির প্রদান, জঙ্গলবাড়ী গ্রামে অতি সত্বর একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ, বাংলাদেশের সর্বত্র বাংলা ভাষার শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ -সহ সকল জাতির সকল মাতৃভাষার যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদানের দাবি জানান।

এদিকে, আলোচনা সভা শেষে গ্রামের শিশুদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। আবৃতিতে অংশ নিয়েছে মাহিন, বাবু, ফাতেমা, আহাদ, ফারুক -সহ আরও অনেকেই।

প্রিন্ট করুন

মন্তব্য করুন